দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও প্রতীক্ষার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সনাতনী শিক্ষার্থীদের জন্য কেন্দ্রীয় মন্দির উদ্বোধনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দ বিরাজ করছে। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও শিক্ষাঙ্গনে সমঅধিকারের পথে এ উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মন্দির নির্মাণের ন্যায্য দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করতে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোট এবং বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোটের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ মন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা আন্দোলনরত সনাতনী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।
বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোটের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাজীব চন্দ্র সাহা বলেন,
“শিক্ষাঙ্গনে ধর্মীয় সহাবস্থান ও সকল শিক্ষার্থীর সমান অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় মন্দির নির্মাণ সনাতনী শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবির বাস্তবায়ন। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যে দৃঢ়তা দেখিয়েছে, তা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।”

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোটের সভাপতি প্রদীপ কান্তি দে বলেন,
“বাধা ও প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও শিক্ষার্থীরা যে সাহসিকতা ও ঐক্যের পরিচয় দিয়েছে, তা প্রশংসনীয়। তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ের এই পথে আমরা শুরু থেকেই পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।”
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সকল ধর্মের শিক্ষার্থীদের জন্য ধর্মীয় অনুশীলনের সুযোগ নিশ্চিত করা হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ইতিবাচক ভূমিকার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় মন্দির উদ্বোধনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ডিএমএন/