ঢাকায় ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ: সরকার বলপ্রয়োগের অভিযোগ অস্বীকার, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সতর্কবার্তা

Spread the love

ঢাকা, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোন প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেনি। সরকার এই সময়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে নিশ্চিত করেছে।

৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকেল থেকে ইনকিলাব মঞ্চের ব্যানারে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। যমুনা ও এর আশপাশের এলাকায় বিক্ষোভ নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও প্রথম পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো বলপ্রয়োগ করেনি।

“যমুনা এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ চলাকালীন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।”
“যমুনা এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ চলাকালীন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।”


আজ, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার, বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, এই সময় কোনো গুলি ছোড়া হয়নি।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও সংলগ্ন এলাকায় সভা, মিছিল ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ থাকায় পুলিশ আইনানুগভাবে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করেছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে, কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, ২৩ জন আহত হয়েছেন, তবে কারও শরীরে গুলির আঘাত নেই।
সরকার পুনর্ব্যক্ত করেছে যে শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারে তারা বদ্ধপরিকর এবং জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের জন্য ৮ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে।
অন্তর্বর্তী সরকার দেশের সকল নাগরিককে ধৈর্য, সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়েছে। তারা আশাবাদী, আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

ডিএমএন/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *