চট্টগ্রাম জেলার পবিত্র তীর্থস্থান চন্দ্রনাথ ধামে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি আয়োজিত ধর্মীয় কার্যক্রম শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আয়োজনে আগত হাজারো ভক্তের সার্বিক সেবা, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করেন বাংলাদেশ হিন্দু মহাসংঘের নেতাকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা।

তীর্থে আগত ভক্তদের নির্বিঘ্ন দর্শন, পূজা ও যাতায়াত নিশ্চিত করতে সুপরিকল্পিত সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। প্রায় ৩০০+ স্বেচ্ছাসেবক বিভিন্ন টিমে বিভক্ত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। তারা শৃঙ্খলা রক্ষা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ, পথনির্দেশনা, বিশ্রাম সহায়তা, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আগত সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করেন। তাদের প্রচেষ্টায় তীর্থস্থানে সৃষ্টি হয় সুশৃঙ্খল, নিরাপদ ও ভক্তিময় পরিবেশ—যা উপস্থিত দর্শনার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থার অনুভূতি জাগায়। ভক্তরা নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
সেবামূলক কার্যক্রমের কেন্দ্র ছিল সীতাকুণ্ড এলাকা। পাহাড়ি পথ ও তীর্থযাত্রার বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নিরাপত্তা ও দিকনির্দেশনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। পালাক্রমে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সহায়তা নিশ্চিত করা হয়।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান,
“সেবাই আমাদের সাধনা”—এই আদর্শকে সামনে রেখে আমরা ভক্তদের সেবা করাকে ধর্মীয় দায়িত্ব ও মানবিক কর্তব্য হিসেবে গ্রহণ করেছি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হওয়ায় স্থানীয় ভক্তমণ্ডলী, তীর্থযাত্রী ও সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবীদের এই নিবেদিত সেবার ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। ধর্মীয় সম্প্রীতি, মানবসেবা ও সংগঠিত স্বেচ্ছাশ্রমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে এবারের আয়োজন বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
ডিএমএন/