বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অধিকার, নির্যাতন ও রাজনৈতিক ব্যবহার নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক। এক দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, দেশে প্রকৃতপক্ষে সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধ বা তাদের ক্ষমতায়নের বিষয়ে কেউ আন্তরিক নয়; বরং বিভিন্ন পক্ষ নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য বিষয়টি ব্যবহার করছে।
তিনি বলেন, বিদেশে অবস্থানরত কিছু গোষ্ঠী সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনাকে ‘ডাটা’ হিসেবে ব্যবহার করে প্রচার চালায় এবং এর মাধ্যমে আর্থিকভাবে লাভবান হয়। একইভাবে দেশের ভেতরেও কিছু ব্যক্তি ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ে ব্যস্ত থাকে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক আরও দাবি করেন, ধর্মীয় জ্ঞান বা চর্চা ছাড়াই অনেকেই হঠাৎ করে ধর্মীয় নেতা বনে গিয়ে মন্দির বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে। এছাড়া একটি আন্তর্জাতিক চক্র সংখ্যালঘুদের রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
তার বক্তব্যে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, কিন্তু নিজেদের অধিকার আদায়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি।
তিনি সংখ্যালঘুদের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে সংসদে সংরক্ষিত আসন এবং পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থার দাবিও পুনর্ব্যক্ত করেন। তার মতে, এসব ব্যবস্থা চালু না হলে সংখ্যালঘুরা রাজনৈতিকভাবে আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।
ডিএমএন/