কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় প্রাইভেট পড়ানোর নাম করে এক হিন্দু স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম নুরুল আমিন, যিনি স্থানীয় ফুলখাঁ চাকলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ মার্চ সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে রাজারহাট উপজেলার ফুলখাঁ চাকলা বাজারের পশ্চিম পাশে একটি কোচিং সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নবম শ্রেণির ছাত্রী মুক্তি রানী (১৪) (ছদ্মনাম) প্রতিদিনের মতো ওই শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে গিয়েছিল।
পরিবারের দাবি, সেদিন অন্যান্য শিক্ষার্থীরা আসতে দেরি করায় সুযোগ বুঝে শিক্ষক নুরুল আমিন কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেন। এরপর ছাত্রীকে অশালীন প্রস্তাব দেওয়ার এক পর্যায়ে শারীরিক লাঞ্ছনা ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এ সময় ছাত্রীটি চিৎকার ও প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত শিক্ষক তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
কিছুক্ষণ পর ছাত্রীর সহপাঠীরা কোচিং সেন্টারে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে শিক্ষক নুরুল আমিন দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। পরে ভুক্তভোগী ছাত্রী বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের কাছে পুরো ঘটনাটি প্রকাশ করে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে স্থানীয় এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক বর্তমানে পলাতক থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।রাজারহাট থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডিএমএন/