ডেস্ক রিপোর্ট | দেবালয় মিডিয়া নিউজ
একটি রাজনৈতিক দল শুরুতে জুলাই আন্দোলনকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করলেও শেষ পর্যন্ত জনগণের চাপের মুখে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে অবস্থান নিতে বাধ্য হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকার কেরানীগঞ্জে আয়োজিত এক রাজনৈতিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে জামায়াত আমির অভিযোগ করে বলেন, একটি দল নিজেরা দীর্ঘদিন ‘গুপ্ত’ হয়ে উধাও ছিল, অথচ এখন অন্যদের ‘গুপ্ত’ বলে আখ্যায়িত করছে। বিষয়টি জাতির জন্য বিস্ময়কর।
গণভোট ও জুলাই সংস্কার প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“আমরা দেখেছি, জুলাই সংস্কার প্রস্তাবগুলো সামনে আসতেই একটি দল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা বলেছিল—গণভোট আবার কীসের? কিন্তু জনগণের চাপের মুখে পড়ে যখন তা মেনে নিতে বাধ্য হলো, তখন আবার নতুন শর্ত জুড়ে দিল—গণভোট একই দিনে করতে হবে।”
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াতের দাবি ছিল আগে গণভোট, এরপর সংসদ নির্বাচন। এতে উভয় প্রক্রিয়াই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হতো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের দাবির আলোকে ব্যবস্থা নেওয়ার পরও এখন কেউ কেউ আবার বলছে—গণভোট মানি না।
“এটাকেই বলা হয় ‘ঠেলার নাম বাবাজি’। এ জাতি যাকে একবার ধাক্কা দেয়, তাকে আর ছাড়ে না,”—যোগ করেন তিনি।
জুলাই শহীদদের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন,
“কেউ কেউ জুলাই শহীদদের অবদানকে অস্বীকার করেছে, জুলাইকে স্বীকৃতি দিতে চায়নি। আবার যখন দেখলো মানুষ জুলাইয়ের সঙ্গে মিশে গেছে, তখন বলছে—আমরাই জুলাইয়ের মাস্টারমাইন্ড।”
তিনি আরও বলেন,
“জুলাইকে সম্মান করা মানে চাঁদাবাজি হতে পারে না। দুর্নীতি, মামলা বাণিজ্য, নিরীহ মানুষের জমি দখল কিংবা মায়ের গায়ে হাত তোলা—এসব কখনোই জুলাই চেতনা হতে পারে না।”
সমাবেশে দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তৃতাকালে জুলাই আন্দোলনের আদর্শ রক্ষার আহ্বান জানানো হয়।
ডিএমএন/