মানিকগঞ্জে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক হিন্দু ছাত্রীকে ভুয়া জন্ম সনদ তৈরি করে ধর্মান্তরিত ও বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একমাত্র কন্যাকে হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া মা বাধ্য হয়ে সংবাদ সম্মেলন করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। দ্রুত মেয়েটিকে উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মানিকগঞ্জ জেলার একটি এলাকায় বসবাসকারী নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে পরিকল্পিতভাবে প্রলুব্ধ করা হয়। পরে তার প্রকৃত বয়স গোপন রেখে ভুয়া জন্ম সনদ তৈরি করে ধর্মান্তর ও বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা সংবাদ সম্মেলনে বলেন,
“আমার মেয়েটা এখনো নাবালিকা। ও পড়ালেখা করত। কীভাবে কারা আমার মেয়ের জন্ম সনদ বদলে দিল, আমি কিছুই জানি না। আমার একমাত্র সন্তানকে আমাকে ফিরিয়ে দিন।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে তার মেয়ের জীবন ধ্বংসের পথে ঠেলে দিয়েছে। মেয়েটির সঙ্গে যোগাযোগের সব পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
পরবর্তীতে তিনি সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ (মামলা) দায়ের করেন। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, অভিযোগ সত্য হলে এটি একটি গুরুতর অপরাধ। নাবালিকা মেয়েদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। দ্রুত মেয়েটিকে উদ্ধার করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ডিএমএন/