মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে মানববন্ধনের ১৬ দিন পেরোলেও মেলেনি সমাধান

Spread the love

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার দক্ষিণ খোশবাস ইউনিয়নের চালিয়া গ্রামের হিন্দু পাড়ায় একটি মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠার পর মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হলেও ১৬ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো কার্যকর সমাধান পায়নি স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

ভাঙচুরের অভিযোগ থাকা চালিয়া গ্রামের মন্দিরের প্রতিমা।

ভাঙচুরের অভিযোগ থাকা চালিয়া গ্রামের মন্দিরের প্রতিমা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে চালিয়া গ্রামের হিন্দু পাড়ায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মন্দিরের অংশ বিশেষ ভেঙে ফেলা হয়। ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে চালিয়া গ্রামে মানববন্ধন।

মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে চালিয়া গ্রামে মানববন্ধন।


মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মন্দির পুনর্নির্মাণের দাবি জানান। তবে মানববন্ধনের ১৬ দিন পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
হিন্দু পাড়ার বাসিন্দারা জানান, বিষয়টি নিয়ে তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে জানালেও এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত প্রতিবেদন বা লিখিত সিদ্ধান্ত পাননি। এতে করে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম হতাশা ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত চালিয়া গ্রামের টিনশেড মন্দির ভবন।

ক্ষতিগ্রস্ত চালিয়া গ্রামের টিনশেড মন্দির ভবন।


স্থানীয় এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন,
“আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন করেছি, প্রশাসনের কাছে গিয়েছি। কিন্তু এতদিনেও কোনো সমাধান না হওয়ায় আমরা উদ্বিগ্ন। আমাদের ধর্মীয় স্থাপনার নিরাপত্তা চাই।”
এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগটি তারা খতিয়ে দেখছেন এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *