শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ ও কালি মন্দির, পলাশবাড়ীর প্রতিষ্ঠাতা শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরোনিদাস ঘোষণা করেছেন, তিনি নিজ উদ্বেগে ৬৪ জেলার ৬৪টি গ্রামে পবিত্র গীতা শিক্ষা স্কুল বা গুরুকুল চালু করার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছেন। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ধর্মভীরু বয়স্ক সনাতনী বাবা-মাকে কুসংস্কার থেকে মুক্ত করা এবং তাদের সন্তানদেরকে পবিত্র গীতা শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে সনাতনী শিক্ষার প্রসার করা।
তিনি জানিয়েছেন, প্রত্যেকটি গ্রামের ভিতরে পবিত্র গীতা শিক্ষা স্কুল চালু করা সম্ভব যদি সনাতনী বিত্তবানরা সহযোগিতা করেন। উদাহরণস্বরূপ, একটি গ্রামে যদি ৫০টি সনাতনী পরিবার থাকে এবং পরিবার থেকে মাসিক ২০০ টাকা প্রণামী নেওয়া হয়, তবে সেই গ্রামের জন্য একটি গীতা শিক্ষা স্কুল সহজেই চালু করা সম্ভব।
শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরোনিদাস বলেন, “ধীরে ধীরে বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করে আমাদের এগোতে হবে। প্রথমে হিন্দু সমাজ থেকে কুসংস্কার দূর করতে হবে। ভগবান এক এবং অদ্বিতীয়, যাকে ভগবান বলা যায় না, প্রভু শব্দটি সঠিক জায়গায় সঠিক ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে হবে।”
তিনি একটি ঘটনার উদাহরণ উল্লেখ করে বলেন, “একজন পাগল রাতের অন্ধকারে একটি কলা গাছকে পুজা করেছিল। ভোর বেলায় কিছু সনাতনী মা-বোনেরা সেই স্থানে পুজা করতে দেখলেন, তখন থেকে ঐ কলা গাছকে পুজা করা শুরু হলো। এ ধরনের ঘটনা গ্রামের ভিতরে প্রবেশ করলেও মন্দির ছাড়া এমন কোন স্থানে পুজা করা উচিত নয়, কারণ সেই জায়গা পবিত্র নয়।”
ডিএমএন/