নিজস্ব প্রতিনিধি: আনন্দ চন্দ্র শীল
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কীর্তন শুনতে গিয়ে এক সন্তানের জননী এক বাকপ্রতিবন্ধী হিন্দু নারী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অনিল সাধুর মন্দিরের কীর্তনস্থলের পাশে ধোপা বাড়ি সংলগ্ন একটি সুপারি বাগানে এ ঘটনা ঘটে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে ওই নারী অনিল সাধুর মন্দিরে কীর্তন শুনতে যান। রাত ৯টার দিকে ফেরার পথে স্থানীয় রাকিব, শাকিল ও রাসেল নামের তিন ব্যক্তি তাকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে অটোরিকশায় তুলে ধোপা বাড়ি সংলগ্ন একটি সুপারি বাগানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক চেতনানাশক কিছু খাইয়ে অচেতন করে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তাকে শারীরিক নির্যাতনও করা হয়।পরে ভোরে জ্ঞান ফিরলে ওই নারী চিৎকার করলে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।তজুমদ্দিন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সামছুল আলম সোহেল জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ডিএনএন/