গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার কোমরপুর হাঁসবাড়ী এলাকায় অবস্থিত শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ ও কালী মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা হরিদাস চন্দ্র তরোনিদাস এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেন, অপপ্রচার এবং সাম্প্রদায়িক উসকানির অভিযোগ তুলেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে হরিদাস চন্দ্র তরোনিদাস দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সময়ে তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং ব্যক্তিগত বিভিন্ন বিষয়কে পুঁজি করে আর্থিক সহায়তা চান। তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে ২০ হাজার টাকা ধার দিয়েছিলেন।
হরিদাস চন্দ্র তরোনিদাসের ভাষ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি ওই অর্থ ফেরত চাওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের নেতিবাচক প্রচারণা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেওয়া শুরু করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে মন্দিরে এসে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক বিষয় নিয়ে উসকানিমূলক মন্তব্য করতেন এবং স্থানীয় পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করতেন। তার দাবি, পলাশবাড়ী এলাকায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করে রাজনৈতিকভাবে বিশেষ কোনো গোষ্ঠীকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করা হচ্ছে।
মন্দির প্রতিষ্ঠাতা বলেন, বিভিন্ন সময়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তিনি বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান।
তবে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে নির্মাণাধীন শ্রীরামচন্দ্রের বিগ্রহকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ, প্রতিবাদ ও পাল্টা প্রতিবাদের ঘটনা আলোচনায় এসেছে।
ডিএমএন/