পাবনা সদর উপজেলার দক্ষিণ রামচন্দ্রপুর হরিজন কলোনীতে হরিজন সম্প্রদায়ের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৩ বছর বয়সী কিশোর রুদ্র হাড়ী গুলিবিদ্ধ হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
পরিবারের দাবি, সংঘর্ষ চলাকালে নিজ বাড়ির ছাদে অবস্থান করার সময় সে গুলিবিদ্ধ হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুন শুক্রবার দক্ষিণ রামচন্দ্রপুর হরিজন কলোনীতে দুই গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রের পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংঘর্ষ চলাকালে একপর্যায়ে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। সেই সময় নিজ বাড়ির ছাদে অবস্থান করছিল রুদ্র হাড়ী। পরিবারের সদস্যদের দাবি, হঠাৎ গুলিতে সে আহত হয়।পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। পরে একই দিন তাকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রুদ্র হাড়ী দক্ষিণ রামচন্দ্রপুর হরিজন কলোনীর বাসিন্দা শ্রী মিন্টু হাড়ী ও শ্রীমতী মুক্তা রানীর ছেলে। তার বয়স ১৩ বছর বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুদ্রের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। তবে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তাকে রাখা হয়েছে।
এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দুই পক্ষের বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে চলছিল, যার ধারাবাহিকতায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।ঘটনার প্রকৃত কারণ ও গুলির উৎস সম্পর্কে তদন্তের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ডিএমএন/