কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পদ্মপুকুর পাড় এলাকার শীল পাড়ায় নিজ বাসগৃহে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে শ্রীমতি শিল্পী রানী সুশীল নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে এ ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় শিল্পী রানী সুশীল নিজ বাসগৃহে অবস্থান করছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা তার বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে ছুরিকাঘাত করে বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা তার পেটে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে ছুরিকাঘাত করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।
ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকলে পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চকরিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিজ বাসগৃহে অবস্থানকালে একজন নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে কী কারণে শিল্পী রানী সুশীলকে হত্যা করা হয়েছে, কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছিল কি না—তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহত শিল্পী রানী সুশীল কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পদ্মপুকুর পাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক এবং পদ্মপুকুর পাড়া সর্বজনীন শ্রী শ্রী কালীমন্দির পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা শ্রী রবীন্দ্র লাল সুশীলের সহধর্মিণী।
পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে ছুরিকাঘাতের বিষয়টি জানা গেলেও ঘটনার বিস্তারিত, হামলাকারীদের পরিচয় এবং হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার আরও বিস্তারিত জানা সম্ভব হবে।