ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গিলাবাড়িয়ায় মরিয়ম খাতুন ওরফে সুজাতা কর্মকার বর্মা (১৪)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিয়ের চার মাস পর তার মৃত্যুতে তদন্ত চলছে।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গিলাবাড়িয়া গ্রামে মরিয়ম খাতুন ওরফে সুজাতা কর্মকার বর্মা (১৪) নামে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিজ বাড়ির একটি কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মরিয়ম খাতুন ওরফে সুজাতা কর্মকার বর্মা গিলাবাড়িয়া গ্রামের সনদ কর্মকারের মেয়ে। পরিবারের দেওয়া তথ্য ও থানায় জমা দেওয়া লিখিত আবেদনের সূত্রে জানা যায়, সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর মো. সাজ্জাদ হোসেনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর তিনি স্বামীর বাড়িতে বসবাস করছিলেন। পরিবারের দাবি, বিয়ের প্রায় চার মাসের মাথায় তার মৃত্যু হয়েছে।
থানায় দেওয়া লিখিত আবেদনে মো. সৌরভ হোসেন (২১), পিতা—মো. নুরুল হোসেন, উল্লেখ করেন, সোমবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে তার স্ত্রী মোছা. প্রিয়া খাতুন বাড়ির একটি কক্ষে মরিয়মকে দেখতে পান। পরে পরিবারের সদস্যদের জানানো হলে তারা সেখানে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।
তবে কিশোরীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এটি আত্মহত্যা, স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে—তা তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে নিশ্চিত হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর আবেদন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশ মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে বিষয়টি তদন্ত করছে।
এদিকে, কিশোরীর বয়স, বিয়ে ও ধর্মান্তরের বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা সৃষ্টি হলেও এসব বিষয়কে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে নিশ্চিত করার মতো কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তদন্তের ফলাফলেই প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে।
ডিএমএন/